
|
|
|
আমাদের বিষয়ে | উদ্দেশ্য ও সন্দর্ভের শর্তাবলী সন্দর্ভের শর্তাবলী |

|
প্রাসঙ্গিক বিচার বিন্দু
সরকারের ১৩ই জুন ২০০৫-এর বিজ্ঞপ্তি অনুসারে রাষ্ট্রীয় জ্ঞান আয়োগের (এন.কে.সি.) সামনে নিম্নোক্ত প্রাসঙ্গিক বিচার বিন্দু রাখা হয়েছে৷
- শিক্ষা-ব্যবস্থায় শ্রেষ্ঠতা এনে একবিংশ শতকের জ্ঞানের চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা দেশ কিভাবে করবে এবং কোন উপায়ে জ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুবিধা বা ধার বাড়ানো যায় তা নিয়ে মতামত দেওয়া৷
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যার পরীক্ষাগারগুলিতে নতুন জ্ঞানের সৃষ্টির প্রক্রিয়ার বিষয়ে অভিমত দেওয়া৷
- বৌদ্ধিক সম্পদা বিষয়ক অধিকার সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত সংস্থাগুলির কর্মপদ্ধতিকে উন্নততর করার বিষয়ে মতামত দেওয়া৷
- কৃষি ও শিল্পোদ্যোগের ক্ষেত্রে জ্ঞানের প্রয়োগ বৃদ্ধি করা
- সরকারকে বেশী কার্যকরী, স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল সেবা প্রদানের জন্য যে জ্ঞান ক্ষমতা বর্ধনের ও প্রয়োগের কথা ভাবলে নাগরিকেরা ও সাধারণ মানুষ সব থেকে বেশি লাভবান হবেন এবং যে পদ্ধতিতে মানুষ এই জ্ঞানে ভাগ বসাতে পারবেন -- সে বিষয়ে মতামত দেওয়া৷
উদ্দেশ্য
রাষ্ট্রীয় জ্ঞান আয়োগের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো দেশকে একটা স্ফূর্ত জ্ঞান সমাজে পরিণত করতে সাহায্য করা৷ এরজন্য প্রয়োজন জ্ঞানের বর্তমান তন্ত্রে আমূল পরিবর্তন আনা এবং নতুন ধরনের জ্ঞানের ক্ষেত্রে নতুন নতুন সুযোগ সুবিধা৷
জ্ঞান ক্ষেত্রে সবার বৃহত্তর অংশীদারিতা এবং সমাজের সর্বস্তরে জ্ঞানের ক্ষেত্রে অবাধ প্রবেশাধিকার -- দুটিই এই উদ্দেশ্যপূর্তির পক্ষে জরুরী৷
এইসব উদ্দেশ্য পূর্তি করতে রাষ্ট্রীয় জ্ঞান আয়োগ নিম্নোক্ত কর্মকাণ্ডের কথা মাথায় রেখেই এমন সব উপযুক্ত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি করার কথা বলছে, যাতে --
- জ্ঞানের তন্ত্রকে আরো শক্তিশালী করা যায়, দেশজ গবেষণা ও আবিষ্কারকে যথেষ্ট উত্সাহ দেওয়া যায় এবং স্বাস্থ্য-কৃষি-শিল্পোদ্যোগের মতো ক্ষেত্রেও জ্ঞানের প্রয়োগের সুযোগ ক’রে দেওয়া যায়৷
- তথ্য ও সম্প্রেষণ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে উন্নতির সুযোগ-সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে শাসনব্যবস্থা ও পারস্পরিক সহযোগের উন্নতি-সাধন করা যায়৷
- বিশ্বস্তরে বিভিন্ন জ্ঞান-তন্ত্রের মধ্যে যাতে আদান-প্রদান ও সম্প্রেষণের একটা ব্যবস্থা করা যায় সেজন্য প্রয়াস করা যায়৷
|
|
|